• শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
শিরোনাম:
সিংড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি রানা, সম্পাদক জাফর নরসিংদী প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সভাপতি মাখন দাস, সাধারণ সম্পাদক আসাদুল হক পলাশ বিদেশে নিয়ে যাওয়ার মতো খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নেই : ফখরুল জানুয়ারির শুরুতেই শিক্ষার্থীদের কাছে সব বই পৌঁছে যাবে : ভোলায় গণশিক্ষা উপদেষ্টা আগামী ৩-৪ কার্যদিবসের মধ্যে গণভোট আইন করা হবে আগামী নির্বাচনে ইসলামী দলগুলোর পক্ষে একটা বাক্স থাকবে বলে আমি আসাবাদী: ভোলায় ফয়জুল করিম শায়েখে চরমোনাই মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ৩ বিচারককে হুমকিদাতা ভোলায় গ্রেপ্তার বাংলাদেশকে বিজনেস ভিসা দেওয়া শুরু করেছে ভারত : প্রণয় ভার্মা আজ বিশ্ব পুরুষ দিবস ভোলার গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা করলেন নবাগত জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান
Notice :
আমাদের ওয়েবসাইটে কাজ চলমান রয়েছে। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই নতুন রূপে সাইটটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। আপনাদের অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

দুর্নীতির অভিযোগে ভোলায় বিআইডব্লিউটিএ সহকারী পরিচালকের অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন

প্রতিনিধি / ৩১ সময় দেখুন
আপডেট : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ভোলার নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক মো: রিয়াদ হোসেন এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে তাকে অপসারণের দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধন শেষে ঢাকা থেকে ভোলায় আসা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ারা বেগম, সুরাইয়া পারভীন শেলী ও উপ-সচিব জেসমিন আকতার বানুর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন ভোলার ভেদুরিয়া স্পিডবোট মালিক ও বোট চালক সমিতির ভুক্তভোগীরা। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩ টার দিকে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটে এই কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এদিকে দুপুরে ঢাকা থেকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও উপ-সচিব ভোলায় আসার খবরে দুপুর ১ টা থেকে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন ভোলা জেলা ও ভেদুরিয়া স্পিডবোট মালিক ও বোট চালক সমিতির ভুক্তভোগীরা। তাদের অভিযোগ ভোলার নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক মো: রিয়াদ হোসেন ভোলায় যোগদানের পর থেকেই অনিয়ন ও দুর্নীতি মাধ্যমে স্পিডবোট মালিকদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বোটপ্রতি ১২০০ টাকা আদায় করছেন। এর প্রতিবাদ করলে তাদেরকে মামলার ভয় দেখান হয় বলে যানান ওই ভুক্তভোগীরা ।
এ বিষয়ে ভোলা বিআইডব্লিউটিএ এর সহকারী পরিচালক রিয়াদ হোসেন বলেন, ঘাটে ৫ টাকার টিকেট ১০ টাকা আদায় করে এবং ঘাটের নির্দেশনা মানা হয় না। এসব তদারকি করতে গেলেই ঘাটে আমাদের স্টাফদের মারধর করেন। এর প্রেক্ষিতে আমরা থানা একটি জিডি করলে পুলিশের তদন্তে তা প্রমানিত হলে তাদের বিরুদ্ধে রেগুলার মামলা রুজু হয়। ওই মামলা প্রত্যাহার করতে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে। মামলা প্রত্যাহার না করায় তারা আমার বিরুদ্ধে অসত্য অভিযোগ তুলে মানববন্ধন সহ নানা ভাবে হয়রানি করেন তারা।


এই বিভাগের আরও খবর