• শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
শিরোনাম:
সিংড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি রানা, সম্পাদক জাফর নরসিংদী প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সভাপতি মাখন দাস, সাধারণ সম্পাদক আসাদুল হক পলাশ বিদেশে নিয়ে যাওয়ার মতো খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নেই : ফখরুল জানুয়ারির শুরুতেই শিক্ষার্থীদের কাছে সব বই পৌঁছে যাবে : ভোলায় গণশিক্ষা উপদেষ্টা আগামী ৩-৪ কার্যদিবসের মধ্যে গণভোট আইন করা হবে আগামী নির্বাচনে ইসলামী দলগুলোর পক্ষে একটা বাক্স থাকবে বলে আমি আসাবাদী: ভোলায় ফয়জুল করিম শায়েখে চরমোনাই মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ৩ বিচারককে হুমকিদাতা ভোলায় গ্রেপ্তার বাংলাদেশকে বিজনেস ভিসা দেওয়া শুরু করেছে ভারত : প্রণয় ভার্মা আজ বিশ্ব পুরুষ দিবস ভোলার গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা করলেন নবাগত জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান
Notice :
আমাদের ওয়েবসাইটে কাজ চলমান রয়েছে। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই নতুন রূপে সাইটটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। আপনাদের অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

ভোলায় পেঁপে চাষে সফল মিলন মাঝিভোলায় পেঁপে চাষে সফল মিলন মাঝি

প্রতিনিধি / ১০৩ সময় দেখুন
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশার বাঘার হাওলার কৃষক মিলন মাঝি পেঁপে চাষে অর্জন করেছেন অভূতপূর্ব সাফল্য। দীর্ঘদিন পতিত থাকা ১৮০ শতাংশ জমিতে অন্যান্য ফসল চাষে আশানুরূপ ফল না পাওয়ায় তিনি নতুনভাবে পেঁপে চাষে ঝুঁকেন।
বরিশাল থেকে সংগ্রহ করা ‘টপ লেডি’ জাতের ৩০০টি চারা সার্জন পদ্ধতিতে ঘের তৈরি করে চারপাশে রোপণ করেন। বর্তমানে এর মধ্যে প্রায় ২৫০ থেকে ২৬৫টি গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে অসংখ্য পেঁপে। ‘টপ লেডি’ জাতের পেঁপে একটি হাইব্রিড জাত, যা ছোট গাছে বেশি ফলন দেয়, রোগ প্রতিরোধী এবং দীর্ঘ সময় ধরে ফলন দিতে সক্ষম। এর ফল পাকার পর লালচে হলুদ রঙের হয়, স্বাদে মিষ্টি ও সুস্বাদু। গাছ ছোট ও শক্তিশালী হওয়ায় ছাদ বাগানের জন্যও উপযোগী। রোপণের ৩-৪ মাস পরেই কাঁচা পেঁপে এবং ৬ মাস পরেই পাকা পেঁপে সংগ্রহ করা যায়।
ইতোমধ্যেই মিলন মাঝি প্রায় ২ লাখ টাকার পেঁপে বিক্রি করেছেন। আগামী তিন মাসে আরও পাঁচ লাখ টাকার বেশি বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান। প্রতিটি গাছের জন্য সার, ওষুধ ও পরিচর্যা বাবদ গড়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা খরচ হলেও প্রতি গাছ থেকে তিনি গড়ে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করছেন। একই সাথে ঘেরে মাছ চাষ করেও অতিরিক্ত আয় আসছে।
মিলন মাঝির এই সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে স্থানীয় কৃষকরাও এখন পতিত জমি কাজে লাগিয়ে কৃষি উদ্যোক্তা হওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছেন। এলাকার কৃষক মো. কামালউদ্দীন বলেন, পেঁপে চাষ অত্যন্ত লাভজনক এবং হালাল ব্যবসা। তবে ভোলায় ভালো মানের চারা না পাওয়ায় আমরা কিছুটা সমস্যায় পড়ি। তা সত্ত্বেও আমরা পেঁপে চাষে আগ্রহী।
মিলন মাঝির পেঁপে বাগান এখন এলাকায় একটি মডেল খামার হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। দূর-দূরান্ত থেকে অনেকে তার বাগান ঘুরে দেখতে আসছেন এবং তার কাছ থেকে পেঁপে চাষের পরামর্শ নিচ্ছেন। গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার পিপিইপিপি প্রকল্প এর মাধ্যমে মিলন মাঝিকে কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে।
সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল হাসান বলেন, মিলন মাঝি তার এই বাগান থেকে ৪ থেকে ৫ গুণ মুনাফা পাচ্ছেন। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত মনিটরিং ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে তিনি একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তা হতে পেরেছেন। তার দেখাদেখি এলাকায় আরও অনেক নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পরিকল্পিতভাবে এই উদ্যোগগুলো সম্প্রসারিত হলে ভোলায় পেঁপে চাষ একটি সম্ভাবনাময় কৃষি খাতে পরিণত হবে।


এই বিভাগের আরও খবর